আপনার নবজাতক তথ্যসমূহ ঘুম

ছোট্টমনির ঘুম নিয়ে কিছু কথা

শিশুরা জন্মের পর দিনের আশি ভাগ সময়ই ঘুমিয়ে কাটায়, এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এই ঘুমের স্থায়ীত্বও হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তিন-চার ঘন্টা। সেই কারণেই শিশুর জন্মের পর কয়েকমাস বাবা-মা কে প্রায়ই কাটাতে হয় নির্ঘুম রাত। আর এই ঘুম শিশুর মানসিক বৃদ্ধিতে রাখে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা।
কিন্তু শিশুর বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথেই দায়িত্ব নিন শিশুর ঘুমের সময় নির্ধারনের। তা না হলে হয়তো আপনাকেও আপনার শিশুর সাথে রাতের পাখি হয়ে জেগে থাকার অভ্যাসটা করে নেবার প্রয়োজন হতে পারে। আসুন জেনে নিন লক্ষনগুলো যা আপনাকে জানান দেবে যে আপনার শিশুর ঘুম প্রয়োজনঃ


•    শিশুর বেশি পরিমানে চোখ রগড়ানো।
•    কোন কারণ ছাড়াই ক্ষীণভাবে কাঁদতে শুরু করা।
•    উদ্দেশ্যহীনভাবে ভাবে একদিকে তাকিয়ে থাকা।
•    প্রিয় মানুষ বা খেলনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।
•    হঠাৎ শান্ত হয়ে পড়া।


এ লক্ষনগুলোই আপনাকে জানান দেবে যে আপনার আদরের সোনামনি এখন ঘুমোতে চায়। কিন্তু যদি আপনার শিশুর ছয় থেকে আট মাস বয়সের পরেও ঘুমের সময় নিয়ে তারতম্য দেখতে পান তবে জেনে নিন তাকে রাত ও দিনের পার্থক্য বোঝাতে আপনার কি করনীয়ঃ
•    দিনের বেলা যতক্ষন পারুন শিশুর সাথে খেলাধুলা করার চেষ্টা করুন।
•    খাবার খাওয়ানোর সময় তার সাথে কথা বলুন।
•    প্রতিদিনের নিত্তনৈমিত্তিক শব্দ যেমন কলিং বেল, টেলিফোন এর আওয়াজ এসব যাতে শিশু শুনতে পায় সেই ব্যবস্থা রাখুন।
•    আপনার ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো আর রঙের প্রাচুর্যতা থাকে সেদিকে মনোযোগ দিন।
•    রাতের বেলা ঘুমের সময় আলো ও শব্দের স্বল্পতার প্রতি খেয়াল রাখুন।
•    ঘরের লাইট বন্ধ করে আপনার শিশুকে বুঝতে দিন যে দিনের শেষ হয়ে…
এসব ছোটখাট ব্যাপারগুলো আপনার শিশুর নিত্যনৈমিত্তিক অভ্যাসগুলো ভালোভাবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে, তাই চেষ্টা করুন ছোটবেলা থেকেই শিশুর মাঝে এধরণের অভ্যাস গড়ে তোলার।