হবু মায়েদের জন্য তথ্যসমূহ এ সময় কি কি খাবার বর্জনীয়

গর্ভবতী মায়েরা যা খাবেন না:

গর্ভবতী মায়ের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য জরুরি। তবে কিছু কিছু খাদ্য উপকারের বদলে ক্ষতি করে। আসুন সেসব খাদ্য সম্পর্কে জেনে নেই —


০১। সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক মাছে থাকে পারদজাতীয় পদার্থ, যা নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি খাওয়া ক্ষতিকর। এটি স্নায়ুতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। এ কারণে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সপ্তাহে ১২ আউন্সের বেশি সামুদ্রিক মাছ খাওয়া উচিত নয়।


০২। ক্যাফেইন : গর্ভকালীন সময়ে দিনে ২০০ মি. গ্রামের বেশি ক্যাফেইন খাওয়া যাবে না (চা, কফি, চকলেট ইত্যাদি জাত)। উচ্চমাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ করলে জন্মের সময় শিশুর ওজন কম হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ক্যাফেইন গর্ভপাতের কারণ হতে পারে।


০৩। অ্যালকোহল : অ্যালকোহল, অ্যালকোহল জাতীয় ঔষধ এবং পনির ছত্রাকের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত পনির গর্ভবতী মা ও তার শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে গর্ভপাত বা জন্মের সময় শিশুর মৃত্যু হতে পারে।


০৪। কাঁচা ডিম ও দুধ : কাঁচা ডিম বা কম সিদ্ধ ডিমে খাদ্যে বিষক্রিয়া হতে পারে। অপাস্তুরিত দুধও মা ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর। ভালভাবে দুধ
ফুটিয়ে পান করতে  হবে।


০৫। স্যাকারিন : গর্ভাবস্থায় স্যাকারিন
গ্রহণ করা উচিত নয়। স্যাকারিন প্লাসেন্টা ভেদ করে ভ্রুণের শরীরে পৌঁছায় এবং ভ্রুণের টিস্যুতে জমা হয়ে থাকে।


০৬। অতিরিক্ত ভিটামিন : ভিটামিন ‘এ' অতিরিক্ত গ্রহণে গর্ভস্থ শিশুর গঠন বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ভিটামিন ‘সি' জরায়ুর সংকোচন ঘটায় যা গর্ভাবস্থার শেষ পর্যায়ে বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়াতে পারে। উচ্চমাত্রার যেকোন মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।


০৭। আনারস : গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে আনারস খেলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে তাই খাওয়া ঠিক হবেনা।


০৮। অপরিষ্কার ফল ও সবজি : যেকোন ফল, শাক-সবজি খাওয়ার আগে ভালভাবে পরিষ্কার করে খেতে হবে। ফল বা সবজির গায়ে লেগে থাকা মাটি/ধূলা-বালিতে টক্সোপ্লাজমা নামক পরজীবী থাকতে পারে— যা টক্সোপ্লাজমোসিস রোগের সৃষ্টি করে।


০৯। দূষিত মাছ : কলকারখানার বর্জ্য পদার্থমিশ্রিত দূষিত জলাশয় বা নদীর মাছ খেলে খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়ে শিশুর ক্ষতি হতে পারে।